নির্বাচন-ঈদের ছুটিতে রফতানি নিয়ে বিপাকে শিল্প মালিকরা, বেতন-বোনাস নিয়ে শঙ্কা! - দৈনিক রূপান্তর Dainik Rupantor

সংবাদ শিরোনাম

“দৈনিক রূপান্তর – সত্যের পথে পরিবর্তনের অঙ্গীকার”

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Wednesday, February 4, 2026

নির্বাচন-ঈদের ছুটিতে রফতানি নিয়ে বিপাকে শিল্প মালিকরা, বেতন-বোনাস নিয়ে শঙ্কা!

 


টানা নেতিবাচক রফতানির মধ্যেই তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা উৎপাদন বন্ধের দুষ্টচক্রে পড়তে যাচ্ছেন। একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে রোজা ও ঈদ মিলিয়ে ৬০ দিনের মধ্যে ২৫ দিনই কারখানা বন্ধ থাকবে। এ পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য স্বল্প সুদে ঋণ ও প্রণোদনার বকেয়া অর্থ দ্রুত ছাড়ের দাবি উঠেছে। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, স্বল্পমেয়াদি অর্থসহায়তা শিল্পে সাময়িক স্বস্তি দিলেও, দীর্ঘমেয়াদি নীতিসহায়তা বেশি জরুরি।

বৈশ্বিক উত্তেজনা, ট্রাম্পের শুল্কনীতি এবং অস্থির দেশীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে তৈরি পোশাক রফতানি ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমেছে। এর মধ্যে টানা ছয় মাস ধরে রফতানি কমতে থাকায়, নির্বাচনী ডামাডোল, রোজা ও ঈদের ছুটি মিলিয়ে সামনের দুই মাস ব্যবসায়ীদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিজিএমইএর পরিচালক রশিদ আহমেদ হোসাইনী বলেন, বাৎসরিক ছুটির তালিকায় নির্বাচনের ছুটি ছিল না। তবে এবার নির্বাচনের সময় গার্মেন্টস বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এছাড়া ঈদসহ অন্যান্য ছুটিও রয়েছে। এতে পেমেন্ট ও অর্ডার শিপিংয়ে প্রভাব পড়বে।
 
শিল্পমালিকরা জানান, ৬০ দিনের মধ্যে কারখানা মাত্র ৩৫ দিন খোলা থাকলেও মার্চে নিয়মিত বেতন দিতে হবে। সঙ্গে বোনাস ও অগ্রিম বেতন মিলিয়ে মজুরি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। রফতানি মন্দার সময়ে অর্থসহায়তা ছাড়া নির্ধারিত সময়ে মজুরি পরিশোধ বা উৎপাদন সচল রাখা সম্ভব হবে না।

বিজিএমইএর পরিচালক রশিদ আহমেদ হোসাইনী বলেন, বাৎসরিক ছুটির তালিকায় নির্বাচনের ছুটি ছিল না। তবে এবার নির্বাচনের সময় গার্মেন্টস বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এছাড়া ঈদসহ অন্যান্য ছুটিও রয়েছে। এতে পেমেন্ট ও অর্ডার শিপিংয়ে প্রভাব পড়বে।
 
শিল্পমালিকরা জানান, ৬০ দিনের মধ্যে কারখানা মাত্র ৩৫ দিন খোলা থাকলেও মার্চে নিয়মিত বেতন দিতে হবে। সঙ্গে বোনাস ও অগ্রিম বেতন মিলিয়ে মজুরি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। রফতানি মন্দার সময়ে অর্থসহায়তা ছাড়া নির্ধারিত সময়ে মজুরি পরিশোধ বা উৎপাদন সচল রাখা সম্ভব হবে না।
 
 
স্প্যারো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোভন ইসলাম বলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, মার্চে রোজার ঈদ, মে মাসে কোরবানির ঈদ। এতো ছুটির কারণে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত রফতানি প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ধারায় থাকবে। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে সরকার যদি একটু সহায়তার হাত বাড়াত, নেতিবাচক ধারা থেকে কিছুটা রেহাই পাওয়া যেত।
 
রফতানি আয় কমলে বিদেশি ঋণ পরিশোধের ঝুঁকি বাড়বে। এ অবস্থায় প্রণোদনা সাময়িক স্বস্তি দিলেও, শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতে ব্যবসায়িক বান্ধব দীর্ঘমেয়াদি নীতিসহায়তার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।
 
র‌্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শিল্প চাপের মধ্যে রয়েছে। এলডিসি থেকে বের হওয়া পর্যন্ত সরকার এখানে স্বল্পমেয়াদে ভর্তুকি দিতে পারে। তবে ভর্তুকি দিয়ে একটি খাত দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। খাতকে সহায়তা করতে হলে সরকারকে ডব্লিউটিওর কমপ্লায়েন্ট সুযোগ-সুবিধার দিকে নজর দিতে হবে এবং তা করতে হলে আগে রাজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
 
এদিকে, সংকট কাটিয়ে রফতানি সচল রাখতে তৈরি পোশাকখাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এর মধ্যেই অর্থমন্ত্রণালয়ে স্বল্প সুদে ঋণের পাশাপাশি প্রণোদনার বকেয়া অর্থ দ্রুত ছাড় চেয়ে জরুরি বৈঠক করেছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad